নবায়নযোগ্য জ্বালানি

কৃষিতে ডিজেলের ব্যবহার কমাতে ৫০ হাজার ৮০০টি ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র এবং ১০০টি বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপকে সৌরবিদ্যুতে রূপান্তরের পরিকল্পনা করেছে সরকার।

৭ হাজার কোটি টাকায় সৌরচালিত হবে ৫০ হাজার ৯০০ সেচযন্ত্র

কৃষিতে ডিজেলের ব্যবহার কমাতে ৫০ হাজার ৮০০টি ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র এবং ১০০টি বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপকে সৌরবিদ্যুতে রূপান্তরের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এ জন্য প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে ২৬ হাজার ৭১১ টন ডিজেল সাশ্রয় হবে এবং জ্বালানি আমদানি বাবদ বৈদেশিক মুদ্রার খরচ কমবে ৩৬১ কোটি ৪১ লাখ […]

যমুনা সেতু এলাকায় ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে প্রায় ১২০ একর জমি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মালিকানাধীন জমি ৩০ বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষের বোর্ড।

যমুনা সেতু এলাকায় আরও ৫৫ মেগাওয়াট সৌরকেন্দ্রের উদ্যোগ

যমুনা সেতু এলাকায় ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে প্রায় ১২০ একর জমি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মালিকানাধীন জমি ৩০ বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষের বোর্ড।

তবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি পাওয়ার পর জমি ইজারার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে। প্রস্তাবিত জমিতে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।

বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক (ডিসি) ক্ষমতার একটি গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)।

রামপালে ২,৫০২ কোটি টাকায় হবে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে

বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক (ডিসি) ক্ষমতার একটি গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)। কেন্দ্রটির এসি বা গ্রিডে সরবরাহযোগ্য স্থাপিত ক্ষমতা হবে ৩৬০ মেগাওয়াট। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫০২ কোটি ৩৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা।

‘রামপাল ব্লক-বিতে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক (ডিসি) সৌর ফটোভোলটাইক গ্রিড-কানেক্টেড পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পটির উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ও পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) কার্যপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বিউবো।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে কাজ শুরু করে ২০২৯ সালের ডিসেম্বরে কেন্দ্রটি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রকল্পের কাজ শুরুর আগে পরিবেশগত ছাড়পত্র নেওয়া, গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত করার প্রভাব সমীক্ষা সম্পন্ন করা এবং অর্থায়নের শর্ত স্পষ্ট করাসহ বেশ কিছু বিষয়ে ব্যাখ্যা ও সংশোধন চেয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।