তিন দেশ থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে বেলারুশ, মরক্কো ও সৌদি আরব থেকে মোট ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩০ হাজার টন এমওপি, ৪০ হাজার টন ডিএপি এবং ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সার রয়েছে। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বেসরকারি পর্যায়ে বেলারুশ থেকে মেসার্স সুফলা ট্রেডিং কর্পোরেশনের মাধ্যমে ৩০ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতি টন এমওপি সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯৮ দশমিক ৯৭ মার্কিন ডলার। এতে মোট ক্রয়মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১১৯ কোটি ৬৯ লাখ ১০০ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৯২ পয়সা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য প্রায় ১৪৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।

অন্যদিকে, জিটুজি পদ্ধতিতে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস, এস.এ এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। প্রতি টন ডিএপি সারের মূল্য ধরা হয়েছে ৮৮৯ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ আমদানির মূল্য প্রায় ৪৩৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

এ ছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সৌদি আরবের সার্বিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতি টন ইউরিয়া সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯১ দশমিক ৬৬ মার্কিন ডলার। এতে মোট ক্রয়মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১৯৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা।

সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সার সরবরাহে নতুন করে যোগ হবে ১ লাখ ১০ হাজার টন সার। কৃষি মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রস্তাবের ভিত্তিতে এসব সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ: ইউরিয়া সার এমওপি সার ডিএপি সার সার আমদানি