পোশাক শ্রমিকদের পেনশন স্কিমে আনার আহ্বান

তৈরি পোশাক খাতের প্রায় ৫০ লাখ শ্রমিককে দ্রুত সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনার উদ্যোগ নিতে উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান।

গতকাল শনিবার রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য ও অংশীজনদের নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। বিজিএমইএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় সভাপতিত্বের বক্তব্যে ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, দেশের মানুষের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছে। বার্ধক্যে নাগরিকদের আর্থিক সুরক্ষার বড় অবলম্বন হয়ে উঠবে এ ব্যবস্থা।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ শ্রম আইনের সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী, ১০০ জনের বেশি শ্রমিক রয়েছে এমন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পেনশন স্কিমের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে সরকার এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে ইতোমধ্যে প্রায় ১০ কোটি ডলার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, পোশাক খাতের সব শ্রমিককে দ্রুততম সময়ে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে। কর্মসূচিকে শ্রমিকদের কাছে আরও জনপ্রিয় ও আকর্ষণীয় করতে প্রথম দুই বছরের জন্য বিশেষ সরকারি প্রণোদনা দেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি।

পাশাপাশি পোশাকশ্রমিকদের ক্ষেত্রে পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা ৬০ বছরের পরিবর্তে ৫৫ বছর নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানান বিজিএমইএ সভাপতি।

বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, তৈরি পোশাক খাতের প্রায় ৫০ লাখ শ্রমিককে পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা এবং পরবর্তী সময়ে এর ধারাবাহিক ব্যবস্থাপনা বজায় রাখা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে চ্যালেঞ্জ থাকলেও সরকারের এ উদ্যোগ সময়োপযোগী, যুগান্তকারী ও প্রশংসনীয়।

সভায় বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম বলেন, সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আকর্ষণীয় মুনাফার হার বিবেচনায় নিলে পোশাকশ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদি

ট্যাগ: পোশাকশ্রমিক সর্বজনীন পেনশন